• শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৪৬ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
নীলফামারীতে তিন দিনের ইজতেমা শুরু ভোটের দিনে লিফলেট বিতরণের দায়ে জামায়াত নেতার অর্থদন্ড নীলসাগর ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ বিশ্ব স্ট্রোক দিবস: স্ট্রোকের ঝুঁকি, রিহ্যাবের সংকট ও পুনর্বাসনে সচেতনতার আহ্বান তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার হত্যা মামলায় মাগুরার সাবেক ওসি ও এসআই জেলহাজতে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় জলঢাকা পৌরসভার সাবেক মেয়র গ্রেপ্তার রানীরবন্দরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ব্যবসায়ী নিহত “ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী”

পাঁচ দিন পর দিমেক হাসপাতালে পানি সরবরাহ

দিমেক হাসপাতালমাহবুবুল হক খান, দিনাজপুর : পাঁচ দিন বন্ধ থাকার পর অবশেষে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পানি সরবরাহ করা হয়েছে। শনিবার পানির পাম্পটি সচল করায় পুনরায় হাসপাতালে পানি সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে। পুনরায় হাসপাতালে পানি সরবরাহ নিশ্চিত করায় হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারী, রোগি ও তাদের স্বজনরা প্রাণ ফিরে পেয়েছেন।
গত সোমবার (১১ জানুয়ারী) রাত থেকে হাসপাতালের পানির পাম্পটি নষ্ট হয়ে যায়। তখন থেকে হাসপাতালের ১৪টি ওয়ার্ডে ও প্রশাসনিক শাখায় পানি সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায় ও হাসপাতালের চিকিৎসা কার্যক্রম ভেঙ্গে পড়ে।
এ সময় পানি না পেয়ে রোগীরা হাসপাতাল ছেড়ে অন্যত্র চলে যায়। পানি সরবরাহ বন্ধ থাকায় ১৪টি ওয়ার্ডের বাথরুম ও টয়লেটগুলো মলমূত্রে ভর্তি হয়ে হাসপাতালে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
পরিস্থিতি সামাল দিতে হাসপাতালে ভর্তি থাকা ও ভর্তি হতে আসা রোগীদেরকে দিনাজপুর জেনারেল হাসপাতাল ও রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। অনেক রোগি স্বেচ্ছায় হাসপাতাল ছেড়ে প্রাইভেট ক্লিনিকে চলে যান। আর যাদের সামর্থ নেই তারা কষ্ট করে হাসপাতালের ওয়ার্ডে পড়ে থাকেন।
রোবববার (১৭ জানুয়ারী) বিকেল ৩টায় দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ার্ড মাষ্টার মাসুদ রানার সাথে মঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, পানির পাম্পের বরিং নষ্ট হওয়ায় পানি সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। বরিংয়ের কাজ শেষে শনিবার রাত থেকে আবারো পাম্পটি সচল করে পানি সরবরাহ শুরু করা হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হাসপাতালের কয়েক জন সিনিয়র স্টাফ নার্স ও ওয়ার্ড বয় জানান, পানি সরবরাহ না থাকায় হাসপাতালে এক অস্বাস্থ্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল। ১৪টি ওয়ার্ডের বাথরুম ও টয়লেটগুলো মলমূত্রে ভরে গিয়েছিল। পানির অভাবে সুইপাররা তা পরিষ্কার করতে পারছিল না। রোগীরা হাসপাতাল ছেড়ে পালিয়েছিল। পুনরায় হাসপাতালে পানি সরবরাহ নিশ্চিত করায় হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারী, রোগি ও তাদের স্বজনরা প্রাণ ফিরে পেয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ